ITGenius24 Logo

Sunday, March 15, 2026 08:19 PM

নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেল - গুপ্ত উপদেষ্টা’ !!!

নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেল - গুপ্ত উপদেষ্টা’ !!!
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা (পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি) হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে ডা. জাহেদ উর রহমান নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন করে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অনেকে তাকে “জনগণের গুপ্ত উপদেষ্টা” বলে ডাকছেন—কারণ তিনি পূর্বে স্পষ্টভাবে বলেছিলেন যে, তিনি বিএনপির কেউ নন

ডা. জাহেদের পুরনো ভিডিও ও সাক্ষাৎকারে তিনি একাধিকবার দাবি করেছেন:
 “আমি বিএনপির দালাল নই, আমি কোনো দলের লোক নই। আমি শুধু নিরপেক্ষভাবে রাজনৈতিক বিশ্লেষণ করি।”

কিন্তু ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ (প্রতিমন্ত্রী সমমর্যাদায়) পাওয়ার পর এই দাবি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে মন্তব্য করছেন:

- “এতদিন গুপ্ত ছিলেন, এখন প্রকাশ্যে উপদেষ্টা! জনগণের গুপ্ত উপদেষ্টা থেকে সরকারি উপদেষ্টা।”
- “নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেল। বিএনপির সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই বলে যে দাবি করতেন, সেটা এখন কী?”
- “তৈল মাখানোর ফল এখন পাচ্ছেন।”

অন্যদিকে তার সমর্থকরা বলছেন, নিয়োগটি তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ও পলিসি জ্ঞানের স্বীকৃতি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অফিসিয়াল সাইটেও তাকে উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা)—পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।


ফেব্রুয়ারি ১৭-এ ১০ জনকে উপদেষ্টা নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি হয়। পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি দপ্তর বণ্টন করা হয়—ডা. জাহেদ পেয়েছেন পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি। এর আগে তিনি টকশো, ইউটিউব সিরিজ “Zahed's Take” এবং কলামে জামায়াত-বিএনপি নিয়ে কড়া মন্তব্য করেছেন, যা অনেককে মনে করিয়ে দিয়েছে যে তার অবস্থান সবসময়ই সরকার-সমর্থক ছিল কি না।


এই নিয়োগ কি তার নিরপেক্ষতার প্রমাণ, নাকি পুরনো দাবির সঙ্গে অসঙ্গতি? সোশ্যাল মিডিয়ায় “গুপ্ত উপদেষ্টা” ট্যাগটি এখন ট্রেন্ডিং। আপনার মতামত কী—এটা রাজনৈতিক স্বাভাবিক পরিবর্তন, নাকি দ্বৈততার উদাহরণ?